স্তনে ব্যথা হওয়ার ৭ টি কারণ
স্তন ব্যথা করলে অনেক নারীই ভেবে বসেন স্তন ক্যান্সার হয়েছে। কিন্তু স্তন ব্যথা অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই রোগের সাথে সম্পর্কিত নয়। এটা আপনার স্তনে আঘাত হতে পারে কিংবা অন্য কোন কারনেও হতে পারে। অধিকাংশ নারী তাদের স্তনে ব্যথা অনুভব করেন বিভিন্ন সময় এবং এই ব্যথা হওয়ার আসল কারণ অনেক কিছুই হতে পারে। পিরিয়ড চলা কালীন সময়ে স্তনে ব্যথা হওয়াটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার এটা কোন চিন্তার বিষয় নয়। কারণ এই ব্যথা শুধু মাত্র দেহে হরমোন পরিবর্তনের কারণেই হয়ে থাকে।
কিন্তু তারপরও অনেক নারী চিন্তিত থাকেন স্তনে ব্যথা হওয়ার কারণে এবং তারা অনেকেই জানেন না কেন এবং কি কারণে স্তনে ব্যথা হয়ে থাকে। তাই জেনে রাখুন স্তনে ব্যথা হওয়ার ৭ টি সম্ভাব্য কারন।
দেহে হরমোন পরিবর্তন
প্রকৃতিগতভাবেই কিশোরী মেয়েদের যখন পিরিয়ড হয় তারা তাদের স্তনে হালকা ব্যথা অনুভব করে থাকে। আবার অনেক সময় পিরিয়ড হওয়ার আগেও স্তনে ব্যথা হয়। পিরিয়ড হওয়ার আগে ও পরে দেহে হরমোনের পরিবর্তনের কারণেই এই ব্যথা হয়ে থাকে। তাই ভয়ের কোন কারণ নেই। পিরিয়ড শেষ হয়ে গেলে এই ব্যথা থাকেনা।
গর্ভকালীন সময়
গর্ভধারণের সময় নারীরা স্তনে ব্যথা অনুভব করেন। সাধারণত গর্ভবতী নারীর তিনমাস চলাকালীন সময় স্তনে ব্যথা হওয়া শুরু হয় কারণ তখন স্তনের আকার বৃদ্ধি পায়। এবং অনেক সময় স্তনের উপর দিয়ে নীল শিরা দেখা যায় এর কারন তখন দেহে অনেক বেশি পরিমানে রক্ত প্রবাহ হতে থাকে ও হরমোনের অনেক পরিবর্তন ঘটে।
স্তন প্রদাহ
অনেক সময় নারীদের স্তনে প্রদাহ জনিত সমস্যা হয় তখন স্তনে ব্যথা হয়ে থাকে। এটি হয়ে থাকে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া অথবা ফাঙ্গাসের আক্রমনে। তাই এই সময়ে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে এবং এই ব্যথার জন্য আপনার জ্বরও আসতে পারে। এই সমস্যায় ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
স্তনের মধ্যে সিস্ট
অনেক সময় স্তনের ভিতর এক ধরণের সিস্ট হয়ে থাকে যার ভিতর তরল জাতীয় পদার্থ থাকে এবং এর নাম ব্রিজ সিস্ট। স্তনের গ্রন্থি যখন বৃদ্ধি পায় তখন অনেক সময় এই সিস্ট এর দেখা দেয়। এই সিস্টের কারণেই স্তনে ব্যথা হয়। যখন সিস্টের আকার বৃদ্ধি পায় তখন আপনি নিজেও বুকে হাত দিয়ে এই সিস্ট অনুভব করতে পারবেন। সিস্ট অনুভব করতে পারলে যতো দ্রুত সম্ভব স্তন বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর সময়
কোন নারী মা হওয়ার পর সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়ও স্তনে ব্যথা পেয়ে থাকেন। সবসময় বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর আগে ও পরে স্তন পরিষ্কার করে নেয়া ভালো কারণ এতে করে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া অথবা ফাঙ্গাস হওয়ার সম্ভবনা থাকেনা।
স্তনে ঘা
অনেক সময় স্তনে ঘা হয়ে থাকে যার কারণে স্তনে ব্যথা হয়ে থাকে। এবং এই সমস্যাটি হয়ে থাকে মূলত যখন স্তনের নিপলে ব্যাকটেরিয়ার দেখা দেয় এবং বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর সময় যখন ভাইরাস আক্রমন করে। এই ধরণের সমস্যায় অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত।
স্তনে ক্যানসার
বুকে ব্যথা হওয়ার মারাত্মক কারণটি হল স্তন ক্যান্সার। কিন্তু স্তনে ব্যথা তখনই হবে যখন আপনি দীর্ঘদিন ধরে স্তন ক্যান্সারে ভুগবেন।
উপরের কারণ গুলোতে খুব স্বাভাবিক ভাবেই স্তনে ব্যথা হতে পারে কিন্তু আমরা যদি আমাদের জীবনচর্চায় কিছুটা পরিবর্তন অ্যানি তাহলে হয়তো স্তনে ব্যথা হওয়ার প্রবণতা কমে আসতে পারে। তাই জেনে রাখুন যা করলে আপনি স্তন ব্যথা হতে আপনি মুক্তি পেতে পারেন।
১। আপনার স্তনের মাপ অনুযায়ী ব্রা পরুন। ছোট মাপের ব্রা এড়িয়ে চলুন।
২। স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করুন যাতে চর্বি কম ও পুষ্টি বেশি।
৩। দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন তাহলে আপনার দেহের হরমোন পরিবর্তন এর সমস্যা দূর হবে।
৪। ভিটামিন বি 6, ভিটামিন B1 (থায়ামিন), এবং ভিটামিন ই এই সকল উপাদান আপনার দেহের জন্য খুব দরকার। তাই এই সব উপাদান সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করা উচিত।
পিরিয়ডের সময় তলপেটে ব্যথা হওয়া যেমন একটি সাধারণ সমস্যা, তেমনই স্তনে ব্যথা হওয়াও তাই। প্রকৃতিগতভাবেই কিশোরী মেয়েদের যখন পিরিয়ড হয় তারা তাদের স্তনে হালকা ব্যথা অনুভব করে থাকে। আবার অনেক সময় পিরিয়ড হওয়ার আগেও স্তনে ব্যথা হয়। পিরিয়ড হওয়ার আগে ও পরে দেহে হরমোনের পরিবর্তনের কারণেই এই ব্যথা হয়ে থাকে।
অনেকের ক্ষেত্রেই বয়স বাড়ার সাথে ব্যথা হবার হার কমতে থাকে। আবার অনেকের ক্ষেত্রেই ব্যাপারটার কোন পরিবর্তন হয় না। বরং বয়স বাড়ার সাথে সাথে ব্যথা আরও প্রচণ্ড হতে থাকে। এমন ব্যথা যে তখন উপুড় হয়ে বুকে চাপ দিয়ে শুলেও ব্যথা লাগে। এতে ভয় পাবার কিছু নেই। বিষয়টি একেবারেই স্বাভাবিক। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই ব্যথা দূর করতে কী করা যায়?
কয়েকটি উপায় আছে, যেগুলো হয়তো আপনাকে একটু হলেও আরাম দেবে। চলুন, জেনে নিই।
-এই সময়ে খাদ্য তালিকা থেকে কিছু খাবার ছেঁটে ফেলুন। যেমন বাড়তি লবণ, চা-কফি বা ক্যাফেইন জাতীয় যে কোন পানীয়, চিনি ও দুগ্ধ জাতীয় খাবার। এতে পিরিয়ডের সময় স্তন ও তলপেট ব্যথা হতে মুক্তি পাবেন।
-পিরিয়ডের আগে বা পড়ে ব্যায়াম করতে কোন অসুবিধা নেই। তবেঁ অনেক মেয়েরই পিরিয়ডের আগে ও পরে স্তনে ব্যথা হয়। এক্ষেত্রে ব্যায়াম সাবধানে করতে হবে। এমন কোন ব্যায়াম করবেন না যাতে বুকে চাপ পড়ে। যেমন, দৌড়ানো। বরং এমন ব্যায়াম করুন, যেগুলো শরীরের নিচের অংশে কার্যকর। যেমন সাইকেল চালানো, হাঁটা। ভুল ব্যায়াম পরিস্থিতি আরও খারাপ করে দেবে।
-কিছু বিশেষ ধরণের ব্যায়াম আছে, যেগুলো এই স্তনে ব্যথা কমাতে সহায়ক। ডাক্তারের সাথে কথা বলে সেই ব্যায়ামগুলো করতে পারেন।
-এই সময়ে স্তনকে সাপোর্ট দেয়, এমন ব্রা পরিধান করুন। সঠিক মাপের আরামদায়ক ব্রা ব্যথা কমাতে সহায়তা করবে।
-স্তনে ঠাণ্ডা লাগতে দেবেন না, ঠাণ্ডা লাগলে ব্যথা আরও বাড়বে। উপযুক্ত জামাকাপড় পড়ে থাকুন যেন স্তনে ঠাণ্ডা না লাগে।
-স্তনে কোন প্রকার চাপ দেবেন না, এতে ব্যথা আরও বাড়বে।
-যদি ব্যথা খুব বাড়ে, তবেঁ হালকা গরম টেল নিয়ে স্তনে ম্যাসাজ করতে পারেন আস্তে আস্তে। এতে স্তনের পেশীগুল একটু শিথিল হবে আর আপনি আরাম বোধ করবেন।
রোগের কারণঃ
১. প্রায় ৭৫ শতাংশ ক্ষেত্রে রোগের কারণ হলো ই-কলাই নামক জীবাণু। এই জীবাণু অসতর্ক মুহূর্তে পায়ূপথ থেকে মূত্রনালীতে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটায়। এ ছাড়া প্রোটিয়াস,সিউডোমোনাস, স্ট্রেপটোকক্কাই, স্ট্যাফাইলোকক্কাই, ক্লেবসিয়েলা প্রভৃতি জীবাণুও মূত্রপথের সংক্রমণ ঘটিয়ে থাকে।
২. প্রস্রাব করার সময় মূত্রথলি সম্পূর্ণ খালি না হওয়া (এটা সাধারণত ঘটে প্রোস্টেটগ্রন্থি বড় হওয়া, মূত্রনালী সঙ্কীর্ণ হওয়া, মূত্রথলিতে স্নায়ুজনিত দুর্বলতা প্রভৃতি কারণে)।
৩. মূত্রতন্ত্রে পাথর অখবা বাইরের কোনো বস্তু থাকলে কিংবা টিউমার হলে।
৪. যৌনসঙ্গমের ফলে মূত্রনালীতে আঘাত লাগলে। (এ ক্ষেত্রে পেরিনিয়ামথেকে ব্যাকটেরিয়া মূত্রথলিতে স্থানান্তর হতে পারে)।
প্রতিরোধঃ
১. দিনে কমপক্ষে ২ লিটার পানি পান করতে হবে।
২. দিনে তিন ঘণ্টা পরপর এবং ঘুমোতে যাওয়ারআগে নিয়মিত ভালোভাবে প্রস্রাব করতে হবে।
৩. মূত্রথলি যেন সম্পূর্ণ খালি হয় সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে হবে।
৪. প্রস্রাবের বেগ এলেই প্রস্রাব করতে হবে। বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর আগে মূত্রথলি সম্পূর্ণ খালি করতে হবে। প্রস্রাব করার পর প্রয়োজনে ১০-১৫ মিনিট পর আবার প্রস্রাব করতে হবে।
৫. যৌন মিলনের আগে এবং পরে প্রস্রাব করে মূত্রথলি খালি করতে হবে।
৬. প্রতিবার যৌন মিলনের পর ভালো করে পানি দিয়ে প্রস্রাবের স্থান পরিষ্কার করতে হবে।
7. যৌন মিলনের আগে প্রস্রাবের পথের চারপাশে ০.৫০% সেট্রিমাইড ক্রিম মেখে নিতে হবে।
8. যদি ওপরের ব্যবস্থায় কাজ না হয় তাহলে রাতে ঘুমানোর আগে প্রস্রাব করার পরে একটি একক মাত্রায় কোনো উপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করা যেতে পারে।
বিঃদ্রঃ রোগ নির্নয়ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়।
স্তন ব্যথা করলে অনেক নারীই ভেবে বসেন স্তন ক্যান্সার হয়েছে। কিন্তু স্তন ব্যথা অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই রোগের সাথে সম্পর্কিত নয়। এটা আপনার স্তনে আঘাত হতে পারে কিংবা অন্য কোন কারনেও হতে পারে। অধিকাংশ নারী তাদের স্তনে ব্যথা অনুভব করেন বিভিন্ন সময় এবং এই ব্যথা হওয়ার আসল কারণ অনেক কিছুই হতে পারে। পিরিয়ড চলা কালীন সময়ে স্তনে ব্যথা হওয়াটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার এটা কোন চিন্তার বিষয় নয়। কারণ এই ব্যথা শুধু মাত্র দেহে হরমোন পরিবর্তনের কারণেই হয়ে থাকে।
কিন্তু তারপরও অনেক নারী চিন্তিত থাকেন স্তনে ব্যথা হওয়ার কারণে এবং তারা অনেকেই জানেন না কেন এবং কি কারণে স্তনে ব্যথা হয়ে থাকে। তাই জেনে রাখুন স্তনে ব্যথা হওয়ার ৭ টি সম্ভাব্য কারন।
দেহে হরমোন পরিবর্তন
প্রকৃতিগতভাবেই কিশোরী মেয়েদের যখন পিরিয়ড হয় তারা তাদের স্তনে হালকা ব্যথা অনুভব করে থাকে। আবার অনেক সময় পিরিয়ড হওয়ার আগেও স্তনে ব্যথা হয়। পিরিয়ড হওয়ার আগে ও পরে দেহে হরমোনের পরিবর্তনের কারণেই এই ব্যথা হয়ে থাকে। তাই ভয়ের কোন কারণ নেই। পিরিয়ড শেষ হয়ে গেলে এই ব্যথা থাকেনা।
গর্ভকালীন সময়
গর্ভধারণের সময় নারীরা স্তনে ব্যথা অনুভব করেন। সাধারণত গর্ভবতী নারীর তিনমাস চলাকালীন সময় স্তনে ব্যথা হওয়া শুরু হয় কারণ তখন স্তনের আকার বৃদ্ধি পায়। এবং অনেক সময় স্তনের উপর দিয়ে নীল শিরা দেখা যায় এর কারন তখন দেহে অনেক বেশি পরিমানে রক্ত প্রবাহ হতে থাকে ও হরমোনের অনেক পরিবর্তন ঘটে।
স্তন প্রদাহ
অনেক সময় নারীদের স্তনে প্রদাহ জনিত সমস্যা হয় তখন স্তনে ব্যথা হয়ে থাকে। এটি হয়ে থাকে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া অথবা ফাঙ্গাসের আক্রমনে। তাই এই সময়ে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে এবং এই ব্যথার জন্য আপনার জ্বরও আসতে পারে। এই সমস্যায় ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
স্তনের মধ্যে সিস্ট
অনেক সময় স্তনের ভিতর এক ধরণের সিস্ট হয়ে থাকে যার ভিতর তরল জাতীয় পদার্থ থাকে এবং এর নাম ব্রিজ সিস্ট। স্তনের গ্রন্থি যখন বৃদ্ধি পায় তখন অনেক সময় এই সিস্ট এর দেখা দেয়। এই সিস্টের কারণেই স্তনে ব্যথা হয়। যখন সিস্টের আকার বৃদ্ধি পায় তখন আপনি নিজেও বুকে হাত দিয়ে এই সিস্ট অনুভব করতে পারবেন। সিস্ট অনুভব করতে পারলে যতো দ্রুত সম্ভব স্তন বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর সময়
কোন নারী মা হওয়ার পর সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়ও স্তনে ব্যথা পেয়ে থাকেন। সবসময় বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর আগে ও পরে স্তন পরিষ্কার করে নেয়া ভালো কারণ এতে করে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া অথবা ফাঙ্গাস হওয়ার সম্ভবনা থাকেনা।
স্তনে ঘা
অনেক সময় স্তনে ঘা হয়ে থাকে যার কারণে স্তনে ব্যথা হয়ে থাকে। এবং এই সমস্যাটি হয়ে থাকে মূলত যখন স্তনের নিপলে ব্যাকটেরিয়ার দেখা দেয় এবং বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর সময় যখন ভাইরাস আক্রমন করে। এই ধরণের সমস্যায় অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত।
স্তনে ক্যানসার
বুকে ব্যথা হওয়ার মারাত্মক কারণটি হল স্তন ক্যান্সার। কিন্তু স্তনে ব্যথা তখনই হবে যখন আপনি দীর্ঘদিন ধরে স্তন ক্যান্সারে ভুগবেন।
উপরের কারণ গুলোতে খুব স্বাভাবিক ভাবেই স্তনে ব্যথা হতে পারে কিন্তু আমরা যদি আমাদের জীবনচর্চায় কিছুটা পরিবর্তন অ্যানি তাহলে হয়তো স্তনে ব্যথা হওয়ার প্রবণতা কমে আসতে পারে। তাই জেনে রাখুন যা করলে আপনি স্তন ব্যথা হতে আপনি মুক্তি পেতে পারেন।
১। আপনার স্তনের মাপ অনুযায়ী ব্রা পরুন। ছোট মাপের ব্রা এড়িয়ে চলুন।
২। স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করুন যাতে চর্বি কম ও পুষ্টি বেশি।
৩। দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন তাহলে আপনার দেহের হরমোন পরিবর্তন এর সমস্যা দূর হবে।
৪। ভিটামিন বি 6, ভিটামিন B1 (থায়ামিন), এবং ভিটামিন ই এই সকল উপাদান আপনার দেহের জন্য খুব দরকার। তাই এই সব উপাদান সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করা উচিত।
পিরিয়ডের সময় স্তনে ব্যথা হলে কী করবেন?
পিরিয়ডের সময় তলপেটে ব্যথা হওয়া যেমন একটি সাধারণ সমস্যা, তেমনই স্তনে ব্যথা হওয়াও তাই। প্রকৃতিগতভাবেই কিশোরী মেয়েদের যখন পিরিয়ড হয় তারা তাদের স্তনে হালকা ব্যথা অনুভব করে থাকে। আবার অনেক সময় পিরিয়ড হওয়ার আগেও স্তনে ব্যথা হয়। পিরিয়ড হওয়ার আগে ও পরে দেহে হরমোনের পরিবর্তনের কারণেই এই ব্যথা হয়ে থাকে।
অনেকের ক্ষেত্রেই বয়স বাড়ার সাথে ব্যথা হবার হার কমতে থাকে। আবার অনেকের ক্ষেত্রেই ব্যাপারটার কোন পরিবর্তন হয় না। বরং বয়স বাড়ার সাথে সাথে ব্যথা আরও প্রচণ্ড হতে থাকে। এমন ব্যথা যে তখন উপুড় হয়ে বুকে চাপ দিয়ে শুলেও ব্যথা লাগে। এতে ভয় পাবার কিছু নেই। বিষয়টি একেবারেই স্বাভাবিক। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই ব্যথা দূর করতে কী করা যায়?
কয়েকটি উপায় আছে, যেগুলো হয়তো আপনাকে একটু হলেও আরাম দেবে। চলুন, জেনে নিই।
-এই সময়ে খাদ্য তালিকা থেকে কিছু খাবার ছেঁটে ফেলুন। যেমন বাড়তি লবণ, চা-কফি বা ক্যাফেইন জাতীয় যে কোন পানীয়, চিনি ও দুগ্ধ জাতীয় খাবার। এতে পিরিয়ডের সময় স্তন ও তলপেট ব্যথা হতে মুক্তি পাবেন।
-পিরিয়ডের আগে বা পড়ে ব্যায়াম করতে কোন অসুবিধা নেই। তবেঁ অনেক মেয়েরই পিরিয়ডের আগে ও পরে স্তনে ব্যথা হয়। এক্ষেত্রে ব্যায়াম সাবধানে করতে হবে। এমন কোন ব্যায়াম করবেন না যাতে বুকে চাপ পড়ে। যেমন, দৌড়ানো। বরং এমন ব্যায়াম করুন, যেগুলো শরীরের নিচের অংশে কার্যকর। যেমন সাইকেল চালানো, হাঁটা। ভুল ব্যায়াম পরিস্থিতি আরও খারাপ করে দেবে।
-কিছু বিশেষ ধরণের ব্যায়াম আছে, যেগুলো এই স্তনে ব্যথা কমাতে সহায়ক। ডাক্তারের সাথে কথা বলে সেই ব্যায়ামগুলো করতে পারেন।
-এই সময়ে স্তনকে সাপোর্ট দেয়, এমন ব্রা পরিধান করুন। সঠিক মাপের আরামদায়ক ব্রা ব্যথা কমাতে সহায়তা করবে।
-স্তনে ঠাণ্ডা লাগতে দেবেন না, ঠাণ্ডা লাগলে ব্যথা আরও বাড়বে। উপযুক্ত জামাকাপড় পড়ে থাকুন যেন স্তনে ঠাণ্ডা না লাগে।
-স্তনে কোন প্রকার চাপ দেবেন না, এতে ব্যথা আরও বাড়বে।
-যদি ব্যথা খুব বাড়ে, তবেঁ হালকা গরম টেল নিয়ে স্তনে ম্যাসাজ করতে পারেন আস্তে আস্তে। এতে স্তনের পেশীগুল একটু শিথিল হবে আর আপনি আরাম বোধ করবেন।
মেয়েদের প্রস্রাবের সংক্রমণ সমস্যা এবং এর সমাধান
১. প্রায় ৭৫ শতাংশ ক্ষেত্রে রোগের কারণ হলো ই-কলাই নামক জীবাণু। এই জীবাণু অসতর্ক মুহূর্তে পায়ূপথ থেকে মূত্রনালীতে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটায়। এ ছাড়া প্রোটিয়াস,সিউডোমোনাস, স্ট্রেপটোকক্কাই, স্ট্যাফাইলোকক্কাই, ক্লেবসিয়েলা প্রভৃতি জীবাণুও মূত্রপথের সংক্রমণ ঘটিয়ে থাকে।
২. প্রস্রাব করার সময় মূত্রথলি সম্পূর্ণ খালি না হওয়া (এটা সাধারণত ঘটে প্রোস্টেটগ্রন্থি বড় হওয়া, মূত্রনালী সঙ্কীর্ণ হওয়া, মূত্রথলিতে স্নায়ুজনিত দুর্বলতা প্রভৃতি কারণে)।
৩. মূত্রতন্ত্রে পাথর অখবা বাইরের কোনো বস্তু থাকলে কিংবা টিউমার হলে।
৪. যৌনসঙ্গমের ফলে মূত্রনালীতে আঘাত লাগলে। (এ ক্ষেত্রে পেরিনিয়ামথেকে ব্যাকটেরিয়া মূত্রথলিতে স্থানান্তর হতে পারে)।
প্রতিরোধঃ
১. দিনে কমপক্ষে ২ লিটার পানি পান করতে হবে।
২. দিনে তিন ঘণ্টা পরপর এবং ঘুমোতে যাওয়ারআগে নিয়মিত ভালোভাবে প্রস্রাব করতে হবে।
৩. মূত্রথলি যেন সম্পূর্ণ খালি হয় সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে হবে।
৪. প্রস্রাবের বেগ এলেই প্রস্রাব করতে হবে। বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর আগে মূত্রথলি সম্পূর্ণ খালি করতে হবে। প্রস্রাব করার পর প্রয়োজনে ১০-১৫ মিনিট পর আবার প্রস্রাব করতে হবে।
৫. যৌন মিলনের আগে এবং পরে প্রস্রাব করে মূত্রথলি খালি করতে হবে।
৬. প্রতিবার যৌন মিলনের পর ভালো করে পানি দিয়ে প্রস্রাবের স্থান পরিষ্কার করতে হবে।
7. যৌন মিলনের আগে প্রস্রাবের পথের চারপাশে ০.৫০% সেট্রিমাইড ক্রিম মেখে নিতে হবে।
8. যদি ওপরের ব্যবস্থায় কাজ না হয় তাহলে রাতে ঘুমানোর আগে প্রস্রাব করার পরে একটি একক মাত্রায় কোনো উপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করা যেতে পারে।
বিঃদ্রঃ রোগ নির্নয়ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়।
জন্ম বিরতিকরন পিল খাওয়ার পরেও যে সব কারনে গর্ভধারণ হতে পারে
অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ এড়াতে অধিকাংশ নারী জন্মবিরতিকরণ পিল ব্যবহার
করেন। দাবি করা হয়, এসব পিল ৯৯.৭ শতাংশ নারীকে অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণ থেকে
বাঁচায়। কিন্তু আসলেই কি এইসব পিল শতভাগ কার্যকরী? কিংবা পিল সেবন করলেই কি
সম্ভাবনা থাকে না গর্ভধারণের?
উত্তরটা হলো- না! পিল সেবন করার পরেও গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, স্বাভাবিক ভাবেই গর্ভনিরোধে এসব পিলের ব্যর্থতা ৯ শতাংশ। আবার কিছু ক্ষেত্রে অন্যান্য ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় পিলের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়।
পিল সেবন করার পরেও কখন হতে পারে গর্ভধারণ? আসুন জানা যাক!
১. নিয়মিত প্রতিদিন না খাওয়া :
নিয়মমতো পিল না খেলে এটি কাজ করবে না। অন্যান্য হরমোন কন্ট্রাসেপ্টিভের মতোই এসব পিল নারী দেহের সংশ্লিষ্ট হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। অধিকংশ পিল এস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টিন হরমোনের সমন্বয়ে কাজ করে। পিল নিয়মিত না খেলে এসব হরমোনের ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে নারীর ডিম্বাশয় আগের মতোই উর্বর হয়ে ওঠে বলে জানান ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গাইনেকোলজির প্রফেসর ফিলিপ ডার্নে।
২. প্রতিদিন সঠিক সময়ে পিল না খাওয়া :
বিজ্ঞানীরা ওরাল হরমোন ডোজকে নিরাপদ করতে গবেষণা চালিয়েছেন। প্রোজেস্টরেন-এস্ট্রোজেন পিলের কার্যকারিতা পেতে হলে ৬ ঘণ্টা থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহার করতে হবে। প্রোজেস্টরেন পিল ব্যবহার করতে হবে প্রতিদিননের ভিত্তিতে। একদিন বাদ পড়লে দেহে হরমোনের মাত্রা কমে যেতে পারে বলে জানান প্ল্যান্ড প্যারেন্টহুড অব আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট ভেনেসা কুলিনস।
৩. বিশেষ চিকিৎসা অবস্থায় :
কিছু বিশেষ চিকিৎসাপদ্ধতির জন্য এসব পিল কাজ করে না। যেমন- টিউবারকুলোসিসের জন্য রিফাডিন চিকিৎসা, গ্রিসেওফালভিনের জন্য অ্যান্টি-ফানগাল ড্রাগ ইত্যাদির ক্ষেত্রে পিল কার্যকারিতা দেখাতে পারে না। তাই চিকিৎসকদের এসব ওষুধ নেওয়ার ক্ষেত্রে পিলের বিষয়ে পরামর্শ দিতে হবে।
৪. হার্বাল সাপ্লিমেন্ট :
যেকোনো হার্বাল সাপ্লিমেন্টের কারণে গর্ভনিরোধক পিলের কার্যকারিতা নষ্ট হতে পারে। এ জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বিশেষ ওষুধ ও হার্বাল সাপ্লিমেন্টের কারণে গর্ভনিরোধনে ব্যাকআপ ব্যবস্থার কথাও বলেন বিশেষজ্ঞরা।
মনে রাখবেন-
একটি সন্তানের আগে পিল না খাওয়াই ভালো। তাতে পরবর্তীতে সন্তান ধারণে মারাত্মক সমস্যা হতে পারে। একটি সন্তানের পর দীর্ঘদিন পিন খেলে পরবর্তীতেও সন্তান ধারণে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এছাড়াও ওজন বেড়ে যাওয়া সহ নানা রকম শারীরিক সমস্যার উপসর্গ দেখা দিতে পারে পিল সেবনে।
উত্তরটা হলো- না! পিল সেবন করার পরেও গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, স্বাভাবিক ভাবেই গর্ভনিরোধে এসব পিলের ব্যর্থতা ৯ শতাংশ। আবার কিছু ক্ষেত্রে অন্যান্য ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় পিলের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়।
পিল সেবন করার পরেও কখন হতে পারে গর্ভধারণ? আসুন জানা যাক!
১. নিয়মিত প্রতিদিন না খাওয়া :
নিয়মমতো পিল না খেলে এটি কাজ করবে না। অন্যান্য হরমোন কন্ট্রাসেপ্টিভের মতোই এসব পিল নারী দেহের সংশ্লিষ্ট হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। অধিকংশ পিল এস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টিন হরমোনের সমন্বয়ে কাজ করে। পিল নিয়মিত না খেলে এসব হরমোনের ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে নারীর ডিম্বাশয় আগের মতোই উর্বর হয়ে ওঠে বলে জানান ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গাইনেকোলজির প্রফেসর ফিলিপ ডার্নে।
২. প্রতিদিন সঠিক সময়ে পিল না খাওয়া :
বিজ্ঞানীরা ওরাল হরমোন ডোজকে নিরাপদ করতে গবেষণা চালিয়েছেন। প্রোজেস্টরেন-এস্ট্রোজেন পিলের কার্যকারিতা পেতে হলে ৬ ঘণ্টা থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহার করতে হবে। প্রোজেস্টরেন পিল ব্যবহার করতে হবে প্রতিদিননের ভিত্তিতে। একদিন বাদ পড়লে দেহে হরমোনের মাত্রা কমে যেতে পারে বলে জানান প্ল্যান্ড প্যারেন্টহুড অব আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট ভেনেসা কুলিনস।
৩. বিশেষ চিকিৎসা অবস্থায় :
কিছু বিশেষ চিকিৎসাপদ্ধতির জন্য এসব পিল কাজ করে না। যেমন- টিউবারকুলোসিসের জন্য রিফাডিন চিকিৎসা, গ্রিসেওফালভিনের জন্য অ্যান্টি-ফানগাল ড্রাগ ইত্যাদির ক্ষেত্রে পিল কার্যকারিতা দেখাতে পারে না। তাই চিকিৎসকদের এসব ওষুধ নেওয়ার ক্ষেত্রে পিলের বিষয়ে পরামর্শ দিতে হবে।
৪. হার্বাল সাপ্লিমেন্ট :
যেকোনো হার্বাল সাপ্লিমেন্টের কারণে গর্ভনিরোধক পিলের কার্যকারিতা নষ্ট হতে পারে। এ জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বিশেষ ওষুধ ও হার্বাল সাপ্লিমেন্টের কারণে গর্ভনিরোধনে ব্যাকআপ ব্যবস্থার কথাও বলেন বিশেষজ্ঞরা।
মনে রাখবেন-
একটি সন্তানের আগে পিল না খাওয়াই ভালো। তাতে পরবর্তীতে সন্তান ধারণে মারাত্মক সমস্যা হতে পারে। একটি সন্তানের পর দীর্ঘদিন পিন খেলে পরবর্তীতেও সন্তান ধারণে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এছাড়াও ওজন বেড়ে যাওয়া সহ নানা রকম শারীরিক সমস্যার উপসর্গ দেখা দিতে পারে পিল সেবনে।
প্রসূতি স্ত্রীর প্রতি স্বামীর করণীয়
পৃথিবীতে নারী জীবনের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর অনুভূতি হচ্ছে মা হবার অনুভূতি।
সন্তান ধারণের এই নয় মাস নারীর জীবনে আসে ব্যাপক পরিবর্তন। এই পরিবর্তন
শারীরিক, মানসিক সবক্ষেত্রে। আপনাকে স্বামী হিসেবে প্রথমেই আপনার স্ত্রীর
এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানোর মানসিকতা তৈরি করতে হবে।
স্বামী হিসেবে আপনার করণীয় :
# আপনার স্ত্রী যে আপনার জীবনের অসাধারণ এক প্রাপ্তি তা তাকে অনুধাবন করান। এই সময়ে নারীর শারীরিক পরিবর্তন যেমন ধীরে ধীরে ওজন বাড়তে থাকে। এতে আপনার স্ত্রী হয়তো নিজের শারীরিক সৌন্দর্য নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগতে পারেন। এ সময় আপনি তার রুপের প্রশংসা করুন। এতে তার আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
# স্ত্রীকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাবার দায়িত্ব (কোনো সমস্যা না থাকলে) আপনাকেই নিতে হবে। এতে আপনার স্ত্রী অনুভব করবে, আপনি তাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তৃতীয় বিশ্বের দেশের জন্য পুরো গর্ভকালীন সময় ন্যূনতম চার বার চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাবার বিধান রেখেছে। যাকে বলা হয় এন্টি-ন্যাটাল চেক-আপ।
প্রথম ১৮ সপ্তাহের মধ্যে একবার,
১৮ থেকে ২৪ সপ্তাহের মধ্যে একবার
২৪ থেকে ৩৬ সপ্তাহের মধ্যে একবার
৩৬ সপ্তাহের পর থেকে প্রতি সপ্তাহে একবার
এছাড়া যেকোনো সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।
# বাড়িতে স্ত্রীকে সহায়তা করুন। এ সময় শরীর অত্যন্ত ক্লান্ত থাকে বিশেষ করে প্রথম ভাগে (ফার্স্ট টার্ম) ও তৃতীয় ভাগে (থার্ড টার্ম) আপনার স্ত্রী যে সমস্ত ঘর ও গৃহস্থালীয় কাজ নিজ হাতে সামলাতেন সে কাজগুলোতে যেমন ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখা, রান্নাবান্নাতে সহায়তা করুন।
# স্ত্রীকে চমক দিন। এ সময় নারীর মানসিক অবস্থা যখন তখন পরিবর্তিত হয়। মন খারাপ লাগা, উত্তেজিত হয়ে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক এ সময়। আপনার ভালোবাসা স্ত্রীর এ ধরনের পরিবর্তন সামাল দিতে পারে। স্ত্রীর জন্য উপহার নিয়ে আসতে পারেন। এ উপহার হতে পারে ফুলের তোড়া, পছন্দের কোনো কিছু এমনকি আইসক্রিমও নিয়ে আসতে পারেন।
# এ সময়ে আপনার স্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা রাগারাগি করবেন না। এতে সে মন খারাপ করবে, যা পরবর্তীতে প্রভাব ফেলবে।
# আপনার স্ত্রী হয়তো আগে সংসারে অনেক কিছুই নিজে দায়িত্ব নিয়ে করতেন। এখন হয়তো সেগুলো সেভাবে হচ্ছে না। কিন্তু তাই বলে কোনো অভিযোগ করবেন না। বরং আপনি তাকে বলুন— দেখো আমি তোমার জন্য অনেক কিছু করতে পারি। আপনার এই ছোট কথাই তাকে দেবে আনন্দের অনুভূতি।
# তার খাবার দাবারের প্রতি খেয়াল রাখুন। এ সময় নারীর শরীরের জন্য দরকার অতিরিক্ত ক্যালরি তথা অতিরিক্ত খাবার। খাদ্য তালিকায় রাখুন মাছ, মাংস, শাকসবজি, দুধ, কলা, ডিম, ফল-মুল ইত্যাদি।
# সম্ভাব্য ডেলিভারির তারিখ মাথায় রেখে অন্তত একমাস আগে থেকেই প্রস্তুত থাকুন। কেননা কখনো কখনো নির্ধারিত সময়ের আগেই বাচ্চা হয়ে যেতে পারে।
স্বামী হিসেবে আপনার করণীয় :
# আপনার স্ত্রী যে আপনার জীবনের অসাধারণ এক প্রাপ্তি তা তাকে অনুধাবন করান। এই সময়ে নারীর শারীরিক পরিবর্তন যেমন ধীরে ধীরে ওজন বাড়তে থাকে। এতে আপনার স্ত্রী হয়তো নিজের শারীরিক সৌন্দর্য নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগতে পারেন। এ সময় আপনি তার রুপের প্রশংসা করুন। এতে তার আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
# স্ত্রীকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাবার দায়িত্ব (কোনো সমস্যা না থাকলে) আপনাকেই নিতে হবে। এতে আপনার স্ত্রী অনুভব করবে, আপনি তাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তৃতীয় বিশ্বের দেশের জন্য পুরো গর্ভকালীন সময় ন্যূনতম চার বার চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাবার বিধান রেখেছে। যাকে বলা হয় এন্টি-ন্যাটাল চেক-আপ।
প্রথম ১৮ সপ্তাহের মধ্যে একবার,
১৮ থেকে ২৪ সপ্তাহের মধ্যে একবার
২৪ থেকে ৩৬ সপ্তাহের মধ্যে একবার
৩৬ সপ্তাহের পর থেকে প্রতি সপ্তাহে একবার
এছাড়া যেকোনো সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।
# বাড়িতে স্ত্রীকে সহায়তা করুন। এ সময় শরীর অত্যন্ত ক্লান্ত থাকে বিশেষ করে প্রথম ভাগে (ফার্স্ট টার্ম) ও তৃতীয় ভাগে (থার্ড টার্ম) আপনার স্ত্রী যে সমস্ত ঘর ও গৃহস্থালীয় কাজ নিজ হাতে সামলাতেন সে কাজগুলোতে যেমন ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখা, রান্নাবান্নাতে সহায়তা করুন।
# স্ত্রীকে চমক দিন। এ সময় নারীর মানসিক অবস্থা যখন তখন পরিবর্তিত হয়। মন খারাপ লাগা, উত্তেজিত হয়ে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক এ সময়। আপনার ভালোবাসা স্ত্রীর এ ধরনের পরিবর্তন সামাল দিতে পারে। স্ত্রীর জন্য উপহার নিয়ে আসতে পারেন। এ উপহার হতে পারে ফুলের তোড়া, পছন্দের কোনো কিছু এমনকি আইসক্রিমও নিয়ে আসতে পারেন।
# এ সময়ে আপনার স্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা রাগারাগি করবেন না। এতে সে মন খারাপ করবে, যা পরবর্তীতে প্রভাব ফেলবে।
# আপনার স্ত্রী হয়তো আগে সংসারে অনেক কিছুই নিজে দায়িত্ব নিয়ে করতেন। এখন হয়তো সেগুলো সেভাবে হচ্ছে না। কিন্তু তাই বলে কোনো অভিযোগ করবেন না। বরং আপনি তাকে বলুন— দেখো আমি তোমার জন্য অনেক কিছু করতে পারি। আপনার এই ছোট কথাই তাকে দেবে আনন্দের অনুভূতি।
# তার খাবার দাবারের প্রতি খেয়াল রাখুন। এ সময় নারীর শরীরের জন্য দরকার অতিরিক্ত ক্যালরি তথা অতিরিক্ত খাবার। খাদ্য তালিকায় রাখুন মাছ, মাংস, শাকসবজি, দুধ, কলা, ডিম, ফল-মুল ইত্যাদি।
# সম্ভাব্য ডেলিভারির তারিখ মাথায় রেখে অন্তত একমাস আগে থেকেই প্রস্তুত থাকুন। কেননা কখনো কখনো নির্ধারিত সময়ের আগেই বাচ্চা হয়ে যেতে পারে।
যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানির কারন ও তার প্রতিকার
আমরা যারা মেয়ে, আমাদের প্রতিদিন কতই না সমস্যার মোকাবেলা
করতে হয়। ঘর থেকে শুরু করে শরীরের সব দিক থেকে অনেক ঝাকেলায় পড়তে হয়। আজকে মেয়েদের একটি অতি পরিচিত এবং অতি বিব্রতকর একটি সমস্যা
নিয়ে আলোচনা করবো। আর তা হলো যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানি। এটি খুবই কমন একটি অসুখ। মেয়েরা ৫ বছর থেকে শুরু করে ৬০ বছর বয়সের যে কোন সময় এই সমস্যায়
পড়তে পারেন। গবেষণায় প্রমানিত হয়েছে যে, প্রতি ৪ জন মহিলার মধ্যে ৩ জনেরই জীবনের কোন না কোন সময়
একবার হলেও এই সমস্যায় ভুগে থাকেন। তাই এর গুরুত্বও কম নয়। চলুন আজ এই অসুখটি সম্পর্কে জানি।
ইচিং
বা চুলকানি হওয়ার কারনঃ
কোন অসুখ প্রতিরোধ
ও প্রতিকারের আগে আমাদের জানতে হবে আসুখটার কারণ কি? কেনোনা কারণ জানলে মোকাবেলা সহজ হয়। যোনিতে অনেক কারণে চুলকানি হতে পারে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণ সমুহ হলো---
১) ঈস্ট বা ছত্রাকের আক্রমনঃ
এটি যৌনাঙ্গের
চুলকানি বা ইচিং হওয়ার অন্যতম কারণ। সাধারণত Candida Albicans, এই ছত্রাকের কারণে যোনিতে চুলকানি হয়। এই ছত্রাক নরমালি মেয়েদের যৌনাঙ্গে পরজীবী হিসেবে থাকে। কিছু ল্যাকলোব্যাসিলাস নামে ইয়পকারি ব্যাকটেকিয়া এই ছত্রাকের
বংশবিস্তারকে নিয়ত্রনে রাখে। কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিক খেলে, গর্ভাবস্থায়, দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকলে, হরমোনাল ইমব্যালেন্স থাকলে
ও খাদ্যাভাসের কারণে এই উপকারী ব্যাকটেরিয়া মরে যায়। ফলে ঈস্ট গুলো তাদের জন্মের জন্য অনুকুল পরিবেশ পায়। এর কারণে যোনিতে ইনফেকশন হয়।
উপসর্গঃ
→ যোনি পথ দিয়ে ঘন, সাদা তরলের নির্গমন হয়।
→ চুলকানি, ব্যাথা ও প্রদাহ হয়।
→ যৌন মিলনের সময় ব্যাথা হয়।
২) ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিসের সংক্রমণঃ
এটি ভ্যাজাইনা
বা যোনিতে চুলকানি হওয়ার অন্যতম কারণ। যোনিতে নরমালি কিছু ব্যাকটেরিয়া থাকে। যখন কোন কারণ এই ব্যাকটেরিয়া গুলোর অনেক বেশি বংশবিস্তার
ঘটে তখন যোনিতে ইনফেকশন হয়।
উপসর্গঃ
→ গন্ধযুক্ত ও মাছের আঁশটে গন্ধযুক্ত তরল নির্গত হয় যোনি দিয়ে।
→ প্রচুর চুলকানি হয়।
→ প্রসাবের সময় জ্বালাপোড়া হওয়া।
৩) ট্রাইকোমোনিয়াসিস এর আক্রমণঃ
এটি একটি প্যারাসাইট। এটির আক্রমণে যোনিতে চুলকানি হয়।
উপসর্গঃ
→ হলুদ, সবুজ রঙের ও খুব তীব্র বাজে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব হয়।
→ তলপেটে ব্যাথা হয়।
→ যোনিতে চুলকানি হয়।
৪) এছাড়াও যৌনাঙ্গে উকুন, খোসপাঁচড়া
ও মাইকোপ্লাজমা জেনেটালিয়াম এর সংক্রমণ হলে যোনিতে চুলকানি হয়।
৫) কিছু সেক্সয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ যেমন – সিফিলিস, গনোরিয়া, এইডস
ইত্যাদির কারণে যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানি হয়।
৬) বিভিন্ন বিরক্তিকর পদার্থ যেমন – বিভিন্ন ডিটারজেন্ট, কেমিক্যাল, সুগ্নধিযুক্ত সাবান, রঙ ওয়ালা টিসু পেপার,
ফেমেনিন হাইজেনিক স্প্রে, ডুশ ব্যবহার করলে
যোনিতে চুলকানি হতে পারে।
৭) মেনোপোজের পর মহিলাদের ইস্ট্রোজেন নামক হরমোন কমে যায়। ফলে যোনি শুকিয়ে যায়। এর ফলে বিভন্ন পরজীবীর সংক্রমণ হয়। ফলে যোনিতে ইচিং হয়।
৮) ডায়াবেটিস, রেনাল ডিজিজ, একজিমা ও রক্তে কোন রোগ থাকলে
ও অন্যান্য কোন রোগ থাকলেও যৌনাঙ্গে চুলকানি হয়।
৯) মাসিকের সময়, অস্বাস্থ্যকর প্যাড ও কাপড় ব্যবহার করলে।
১০) যৌনকর্মীদের এই রোগ বেশি হয়।
১১) যৌনাঙ্গ সবসময় গরম ও আদ্র রাখলে।
১২) অপরিষ্কার থাকলে।
এই
রোগের প্রতিকারঃ
১) ছত্রাকের সংক্রমণে হলে, অ্যান্টিফাংগাল ঔষধ যেমন – ketoconazole, miconazol, clotrimazole, tioconazole, fluconazole ইত্যাদি ঔষধ খেতে হয় ৩ থেকে ৫ দিন। তবে কিছু ওষুধ ১ দিনেও কাজ করে। তাই ডোজ ও কতদিন খাবেন তা জানতে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এছাড়া lactobacillus acidophilus ট্যাবলেট খাওয়া যেতে পারে এর সাথে।
২) ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে অ্যান্টিবায়োটিক ড্রাগস খেতে হয়।। যে অ্যাটিবায়োটিক
খান না কেন তা ৫ থেকে ৭ দিন খাবেন।
৩) প্যারাসাইটের সংক্রমণ হলে metronidazole খেতে পারেন। এছাড়াও vaginal clindamycin cream
(clencin) or tinidazole এই গুলো যোনিতে লাগাতে হবে।
৪) বেশি চুলকানি হলে lidocaine নামক জেল আক্রান্ত স্থানে লাগাতে
পারেন। এতে সাময়িক আরাম পাবেন। তাই ডাক্তার দেখাতে ভুল করবেন না।
৫) চুলকানি কমানোর জন্য এন্টিহিস্টামিন যেমন – fexofenadine, loratadine খেতে পারেন।
৬) এছাড়া প্রদাহ কমাতে steroid cream ব্যবহার করা যেতে পারে।
৭) মেনোপোজের পর চুলকানি হলে ইস্ট্রোজেন সাপোজেটরি যোনি পথে
ব্যবহার করা যেতে পারে।
কিভাবে
এই রোগ প্রতিরোধ করবেন?
বলা হয়ে থাকে যে
কোন অসুখ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ করাই বেশি ভাল। সুতারাং এই রোগটি যাতে আপনার না হয় তাই আগেই সাবধান থাকুন
ও নিচের কথা গুলো মেনে চলুন।
১) রঙ্গিন ও বেশি সুগ্নধিযুক্ত টয়লেট টিসু ও সাবান যৌনাঙ্গে
ব্যবহার করবেন না।
২) ফেমেনিন হাইজিন স্প্রে ও ডুশ ব্যবহার করবেন না।
৩) ভেজা কাপড় পরে বেশিক্ষণ থাকবেন না। গোসল বা ব্যয়ামের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভেজা কাপড়টি পাল্টে
নিবেন। যারা সুইমিং পুলে সাঁতার কাটেন তাদের ক্লোরিনের কারনেও ইচিং হতে পারে, তাই সাবধান হন।

এই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।
উত্তরমুছুনবিবাহিত মেয়েদের স্তন শক্ত হওয়ার কারন কি
উত্তরমুছুন