যেহেতু কিডনি ছাড়া আমরা অচল, তাই কিডনি নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচতে হলে আমাদের প্রত্যেকেরই কিডনি সম্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত। কিন্তু আমাদের অগোচরেই অনেক সময় কিছু অসাবধানতার কারণে আমরা কিডনির ক্ষতি করছি।
জেনে নেই কিডনি নষ্টের গুরুত্বপূর্ণ সেই কারণসমূহ :
১। প্রস্রাব আটকে রাখা।
২। পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
৩। অতিরিক্ত লবন খাওয়া।
৪। যেকোনো সংক্রমণের দ্রুত চিকিৎসা না করা।
৫। মাংস বেশি খাওয়া।
৬। প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া।
৭। অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন।
৮। ওষুধ সেবনে অনিয়ম।
৯। অতিরিক্ত মদ খাওয়া।
১০। পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেয়া।
মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের মত কিডনিও আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিডনিকে মানব দেহের ফিল্টার বলা হয়। কারণ কিডনি প্রাণী শরীরের পানি ফিল্টার করে আমাদের সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। কিডনির যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে বেঁচে থাকাও আর সম্ভব নয়। তাই নিয়ম করে শরীরের যত্ন নিন।
কিডনি ও কিডনি রোগ সম্পর্কে জানুন এবং সচেতন হোন।
# আপনি জানেন কি, আপনার দুটো কিডনি প্রতিদিন প্রায় ১৭০ লিটার রক্ত পরিশোধিত করে আপনার শরীরকে সুস্থ রাখে?
# দুটো কিডনিতে প্রায় ২০-২৫ লাখ ছাঁকনি রয়েছে, যা অনবরত আপনার রক্তকে পরিশোধিত করে যাচ্ছে।
# কিডনি আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে এবং আপনার অস্থিগুলো শক্তিশালী করে থাকে।
# কিডনির প্রধান রোগ নেফ্রাইটিস বা নেফ্রোটিক সিনড্রোম, যা কিডনির ছাঁকনি বা ফিল্টার মেমব্রেনকে ক্ষতবিক্ষত করে। এর কারণে শরীর থেকে অত্যাবশ্যক প্রোটিন বেরিয়ে যায়।
# প্রস্রাব প্রদাহ কিডনির একটি সাধারণ রোগ হলেও শিশুদের ক্ষেত্রে মারাত্মক হতে পারে।
# ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ কিডনি রোগ নয়, তবু কিডনিকে আক্রান্ত করে কিডনির কার্যকারিতা কমিয়ে মারাত্মক জটিলতার সৃষ্টি করে।
# যেসব রোগ কিডনিকে আক্রান্ত করে কিডনির কার্যকারিতা বিনষ্ট করে বা কিডনি ফেইলার হয়: ১. নেফ্রাইটিস ২. ডায়াবেটিস ও ৩. উচ্চ রক্তচাপ। সুতরাং
# ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ডায়াবেটিস রোগী কিডনি রোগে ভোগে থাকে।
# আপনার বয়স যদি ৪০ বছরের ওপরে হয়, আপনি যদি ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগে থাকেন অথবা বংশে যদি কিডনি রোগ থাকে, তবে অবশ্যই আপনার রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা করে জেনে নিন, আপনার কিডনি রোগ আছে কি না।
# মেয়েদের গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ পরবর্তী পর্যায়ে কিডনি রোগের কারণ হতে পারে।
# শুধু রক্তচাপ, প্রস্রাব পরীক্ষা এবং রক্তের ক্রিয়েটিনিন ও সুগার পরীক্ষা করেই জানা যায় কিডনি রোগ আছে কি না।
বাংলাদেশে বর্তমানে দুই কোটি লোক কোনো না কোনো কিডনি রোগে আক্রান্ত। প্রাথমিক পর্যায় থেকে এসব রোগের চিকিৎসায় যত্নবান হোন এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
ব্রেইন স্ট্রোকের নানা কারণ

মস্তিষ্ক শরীরের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অংশ এবং পুরো শরীরের চালিকা শক্তি। দেহের কোষকলা সঠিকভাবে কাজ করার জন্য মস্তিষ্কে রক্তের মাধ্যমে অবিরাম অক্সিজেন এবং গ্লুকোজ সরবরাহ জরুরি। সেখানে রক্ত প্রবাহের পরিমাণ আকস্মিকভাবে হ্রাস পেলে তাকে ব্রেইন স্ট্রোক বলা হয়।
যেকোন কারণে মস্তিষ্কের কোনো একটি অংশে রক্ত প্রবাহ হ্রাস পেলে কোষকলার মৃত্যু ঘটে এবং শরীরবৃত্তীয় স্বাভাবিক কাজে বাধা সৃষ্টি হয়। মস্তিকের মধ্যস্থ কোন ধমনী বা শিরা সরু হয়ে গেলে অথবা কোন কারণে রক্ত জমাট বেঁধে গিয়ে রক্তপ্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ার হলে স্ট্রোক হয়। এই ধরণের স্ট্রোককে ‘ট্রানজিয়েন্ট ইসকেমিবা অ্যাটাক’ বলা হয়। বেশির ভাগ রোগীর এ ধরনের স্ট্রোকই হয়ে থাকে।
কখনও মস্তিষ্কের মাঝে এবং খুলির মধ্যবর্তী কোন অংশ বা শিরায় রক্তপাত ঘটার কারণে স্ট্রোকে আক্রান্ত হতে পারে। এ ধরনের স্ট্রোককে ‘হেমোরেজিক স্ট্রোক’ বলা হয়। ‘ইসকেমিক’ স্ট্রোক ক্ষণস্থায়ী হয় এবং এক্ষেত্রে অল্প সময়ের মধ্যে রোগের লক্ষণ থেকে মুক্তি লাভ করতে দেখা যায়। ইসকেমিক স্ট্রোকে আক্রান্তদের আবার একই ধরনের স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা বেশি থাকে। পরবর্তীতে এদের হেমোরেজিক স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আশংকাও বেশি।
হেমোরেজিক স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। চিকিৎসা নিয়েও শারীরিকভাবে সুস্থ হয়ে উঠতে অনেক সময় লাগে। কখনো সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হতে দেখা যায়। সেক্ষেত্রে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়ে বা নড়াচড়ায় নিয়ন্ত্রণহীনতা দেখা দেয়। স্মৃতিশক্তি এবং চিন্তাশক্তির ক্ষমতা কমে যায়, ভাষা ব্যবহারে এবং বুঝতে অসুবিধা হয়। আবেগের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিকতা এবং ব্যথাসহ স্নায়ুবিক সমস্যা দেখা দেয়ার আশংকা থাকে।
কোনো ক্ষেত্রে জটিলতার কারণে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। রোগীর সেরে ওঠার মাত্রা নির্ভর করে মস্তিষ্কের কোন অংশের কতটা কোষকলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার ওপর। তবে যে কোনো ধরনের স্ট্রোকেই চিকিৎসা নিতে বেশি দেরি হলে তা জটিল হয়ে উঠতে পারে।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্রেইন স্ট্রোক হওয়ার আশংকা বাড়তে থাকে। বিশেষ করে ৫৫ বছরের ঊর্ধ্বে বয়স্ক পুরুষদের ক্ষেত্রে এ রোগের ঝুঁকি বেশি। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তে উচ্চমাত্রার কোলস্টেরল বা হৃদযন্ত্রের সমস্যায় আক্রান্ত এবং ধূমপায়ীদের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা বেশি।
পুরুষের বন্ধ্যাত্ব কারণ !

নিউজ ডেস্ক : আমাদের পরিপাটি জীবনযাপনের জন্য টুথপেস্ট থেকে শুরু করে সানস্ক্রিন ও সাবানের কোনো বিকল্প আছে বলে মনে হয় না। কিন্তু এসব প্রসাধনসামগ্রী আপনাকে শুধুই কি পরিচ্ছন্ন-পরিপাটি রাখে? নাকি ভেতরে ভেতরে ক্ষতি করছে? ভাবছেন টুথপেস্টের মতো প্রয়োজনীয় প্রসাধনসামগ্রীতে আবার ক্ষতির কী আছে? এমনটা ভাবলে ভুল করবেন। বিশেষ করে পুরুষদের এমনটা ভাবাই যাবে না। টুথপেস্ট, সানস্ক্রিন ও সাবানের মতো প্রসাধনসামগ্রীগুলো অজান্তেই কিন্তু পুরুষদের বন্ধ্যাত্বের জন্য অনেকটা দায়ী। গালগল্প নয়, অনেক ঘেঁটেঘুঁটে এমন তথ্য দিয়েছেন গবেষকেরা।
একটি ইউরোপীয় সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণাপত্র উদ্ধৃত করে আজ সোমবার দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট-এর এক খবরে বলা হয়, প্রসাধনী ব্যবহারে পুরুষদের খুব সাবধান হওয়া দরকার। জার্মানির বন শহরের টিমো স্ট্রাঙ্কার অব দ্য সেন্টার অব অ্যাডভান্স ইউরোপিয়ান স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চের দ্য ইএমবিও সাময়িকীতে ওই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব প্রসাধনসামগ্রী প্রস্তুতের সময় নন-টক্সিক রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, যা শুক্রাণু কোষকে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করে। আর ধীরে ধীরে তা পুরুষের বন্ধ্যাত্বের আশঙ্কাকে অনেক গুণ বাড়িয়ে তোলে।
একটি ইউরোপীয় সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণাপত্র উদ্ধৃত করে আজ সোমবার দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট-এর এক খবরে বলা হয়, প্রসাধনী ব্যবহারে পুরুষদের খুব সাবধান হওয়া দরকার। জার্মানির বন শহরের টিমো স্ট্রাঙ্কার অব দ্য সেন্টার অব অ্যাডভান্স ইউরোপিয়ান স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চের দ্য ইএমবিও সাময়িকীতে ওই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব প্রসাধনসামগ্রী প্রস্তুতের সময় নন-টক্সিক রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, যা শুক্রাণু কোষকে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করে। আর ধীরে ধীরে তা পুরুষের বন্ধ্যাত্বের আশঙ্কাকে অনেক গুণ বাড়িয়ে তোলে।
গবেষকেরা প্রথমে কয়েক বছর ধরে মরে যাওয়া শুক্রাণুর ওপর গবেষণা চালান। পরে ওই গবেষণার ওপরে ভিত্তি করে তাঁরা পুরুষদের জন্য তৈরি করা প্রসাধনসামগ্রী নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছান। এ ধরনের গবেষণা এটাই প্রথম। প্রতিবেদনে বলা হয়, গবেষকেরা খুব শিগগির ইউরোপের বাজার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কাছে এ ব্যাপারে বিস্তারিত নথিপত্র উপস্থাপন করবেন এবং আবেদন জানাবেন যাতে পুরুষদের জন্য তৈরি করা প্রসাধনসামগ্রী বাজারে যাওয়ার আগে সেগুলোর বিষবিদ্যা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়। যদি পরীক্ষায় শুক্রাণুর জন্য ক্ষতিকারক
কোনো পদার্থের অস্তিত্ব মেলে, তবে ওইসব পণ্য ছাড় না করার সুপারিশ করবে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ। শুক্রাণু বিশেষজ্ঞ ও ডেনমার্কের কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের অধ্যাপক নেইলস স্কাক্কেবায়েক বলেন, ‘এই প্রথম আমরা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহূত প্রসাধনসামগ্রীর সঙ্গে শুক্রাণুর জন্য ক্ষতিকারক এমন পদার্থের যোগসূত্র পেয়েছি।’
গবেষণায় দেখা গেছে, নিত্য ব্যবহার্য প্রসাধনসামগ্রীর প্রতি ৯৬টির মধ্যে ৩০টিতেই শুক্রাণুর জন্য ক্ষতিকারক পদার্থ রয়েছে। এসব রাসায়নিক পদার্থ শুক্রাণুর ক্যাটস্পার আমিষকে নষ্ট করে দেয়। এ আমিষটির ওপরে শুক্রাণুর মেয়াদ, গতিশীলতা এবং ডিম্বাণুর আবরণ ফেড়ে দেওয়ার সক্ষমতা নির্ভর করে।
এডিনবার্গের দ্য মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল হিউম্যান রিপ্রডাক্টিভ সায়েন্সেসের জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী রিচার্ড শার্প বলেন, এ গবেষণা নতুন এক দিকের উন্মোচন করলো। নিত্য ব্যবহূত প্রসাধনসামগ্রী যে পুরুষদের প্রজননক্ষমতা ধ্বংসে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রেখে চলেছে, তা জানা সম্ভব হলো।
=============================================================
=============================================================
শরীর পুড়ে গেলে যা করবেন
পোড়া ও ঝলসানো আমাদের জীবনে একটি সাধারণ দুর্ঘটনা। সামান্য অসর্তকতার
কারণে শিশু এবং বড়রা এ ধরনের দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়ে থাকে। সাধারণত রান্নার
চুলা, গরম পানি, গরম ছাই, ইস্ত্রি, গরম করার যন্ত্রপাতির ইত্যাদি মাধ্যমে
এই দুর্ঘটনার হয়ে থাকে।
বিভিন্ন কারণে পুড়তে পারে:
# আগুনে পোড়া
# উত্তপ্ত বাষ্প বা ফুটন্ত তরলে পোড়া
# ইলেক্ট্রিক বা বৈদ্যুতিক প্রবাহে পোড়া – শুষ্ক উত্তপ্ত বস্তু (ইস্ত্রি)
# কড়া রাসায়নিক দ্রব্য – এসিড বা ক্ষার
# রান্নার পরে গরম ছাই, তুষ ইত্যাদি
# বিকিরণজনিত দগ্ধতা – অতিরিক্ত সূর্যরশ্মিতে দীর্ঘক্ষণ বা বিকিরণ যন্ত্রের বিকিরণের জন্য হয়ে থাকে
প্রাথমিক চিকিৎসা :
# রোগীকে তার পোড়ার উত্স বা আগুন থেকে সরাতে হবে।
# পোড়া স্থানের আঁটসাট কাপড়, আংটি থাকলে খুলে ফেলতে হবে।
# স্বল্পমাত্রার পোড়ার ক্ষেত্রে পোড়ার অংশটিকে ঠাণ্ডা পানিতে কিছুক্ষণের জন্য ডুবিয়ে রাখতে হবে৷ (ঠাণ্ডা পানি ক্ষত বৃদ্ধি ও তার গভীরতা প্রতিহত করে অঙ্গটিকে বাতাসের সংস্পর্শ থেকে দূরে সরিয়ে রাখে) শরীরের যে সকল অংশ পানিতে ডুবানো সম্ভবপর নয় সে সব অংশের জন্য বরফ শীতল পট্টি বা বরফ জড়ানো কাপড় দিয়ে আবৃত করে ফেলতে হবে কিছুক্ষনের জন্য। পোড়া অংশ কোনক্রমেই ডলাডলি করা যাবে না এবং ফোসকা ফাটানো বা তুলে ফেলা যাবে না।
# স্বল্প মাত্রার পোড়া হলে পোড়ার স্থলে মলম হালকা করে লাগানো যেতে পারে। আর ক্ষত বড় হলে পানি থেকে ওঠানোর পর মলম লাগিয়ে পরিষ্কার প্যাড বা কাপড় দিয়ে ব্যান্ডেজ করতে হবে যেন পোড়া অংশটি বায়ুর সংস্পর্শে আসতে না পারে।
#ফোসকা থাকলে সাবধানে ব্যান্ডেজ করা উচিত যেন ফোসকাগুলি গলে না যায়।
# রোগীকে প্রচুর পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার খাওয়ানো ভালো।
# হালকা পোড়া, মাথা ও মুখে পোড়ার ক্ষেত্রে ক্ষতস্থান খোলা রাখতে হবে।
পরামর্শ:
# প্রয়োজনে দ্রুত হাসপাতালে পাঠাতে হবে৷
# পোড়া জায়গা পরিষ্কার রাখতে হবে৷
# ধুলো, মাছি এবং ময়লা যেন না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে৷
সতর্কতা:
#অনেকে পোড়া ক্ষতে ডিম, পুরাতন ঘি, মাখন, বিশেষ ধরনের কবিরাজি তেল ব্যবহার করে থাকেন। এগুলি ব্যবহার ভীষণভাবে ক্ষতিকর। বহুক্ষেত্রে জীবননাশের আশংকা বহন করে থাকে।
#ঔষুধ সেবন ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে রেজিষ্টার চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।
মানব দেহের অজানা কিছু তথ্য !

বিভিন্ন কারণে পুড়তে পারে:
# আগুনে পোড়া
# উত্তপ্ত বাষ্প বা ফুটন্ত তরলে পোড়া
# ইলেক্ট্রিক বা বৈদ্যুতিক প্রবাহে পোড়া – শুষ্ক উত্তপ্ত বস্তু (ইস্ত্রি)
# কড়া রাসায়নিক দ্রব্য – এসিড বা ক্ষার
# রান্নার পরে গরম ছাই, তুষ ইত্যাদি
# বিকিরণজনিত দগ্ধতা – অতিরিক্ত সূর্যরশ্মিতে দীর্ঘক্ষণ বা বিকিরণ যন্ত্রের বিকিরণের জন্য হয়ে থাকে
প্রাথমিক চিকিৎসা :
# রোগীকে তার পোড়ার উত্স বা আগুন থেকে সরাতে হবে।
# পোড়া স্থানের আঁটসাট কাপড়, আংটি থাকলে খুলে ফেলতে হবে।
# স্বল্পমাত্রার পোড়ার ক্ষেত্রে পোড়ার অংশটিকে ঠাণ্ডা পানিতে কিছুক্ষণের জন্য ডুবিয়ে রাখতে হবে৷ (ঠাণ্ডা পানি ক্ষত বৃদ্ধি ও তার গভীরতা প্রতিহত করে অঙ্গটিকে বাতাসের সংস্পর্শ থেকে দূরে সরিয়ে রাখে) শরীরের যে সকল অংশ পানিতে ডুবানো সম্ভবপর নয় সে সব অংশের জন্য বরফ শীতল পট্টি বা বরফ জড়ানো কাপড় দিয়ে আবৃত করে ফেলতে হবে কিছুক্ষনের জন্য। পোড়া অংশ কোনক্রমেই ডলাডলি করা যাবে না এবং ফোসকা ফাটানো বা তুলে ফেলা যাবে না।
# স্বল্প মাত্রার পোড়া হলে পোড়ার স্থলে মলম হালকা করে লাগানো যেতে পারে। আর ক্ষত বড় হলে পানি থেকে ওঠানোর পর মলম লাগিয়ে পরিষ্কার প্যাড বা কাপড় দিয়ে ব্যান্ডেজ করতে হবে যেন পোড়া অংশটি বায়ুর সংস্পর্শে আসতে না পারে।
#ফোসকা থাকলে সাবধানে ব্যান্ডেজ করা উচিত যেন ফোসকাগুলি গলে না যায়।
# রোগীকে প্রচুর পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার খাওয়ানো ভালো।
# হালকা পোড়া, মাথা ও মুখে পোড়ার ক্ষেত্রে ক্ষতস্থান খোলা রাখতে হবে।
পরামর্শ:
# প্রয়োজনে দ্রুত হাসপাতালে পাঠাতে হবে৷
# পোড়া জায়গা পরিষ্কার রাখতে হবে৷
# ধুলো, মাছি এবং ময়লা যেন না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে৷
সতর্কতা:
#অনেকে পোড়া ক্ষতে ডিম, পুরাতন ঘি, মাখন, বিশেষ ধরনের কবিরাজি তেল ব্যবহার করে থাকেন। এগুলি ব্যবহার ভীষণভাবে ক্ষতিকর। বহুক্ষেত্রে জীবননাশের আশংকা বহন করে থাকে।
#ঔষুধ সেবন ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে রেজিষ্টার চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।
মানব দেহের অজানা কিছু তথ্য !

নিউজ
ডেস্ক :মানব দেহের অজানা কিছু তথ্য বিধাতার তৈরি আমাদের এই দেহ নিয়ে
চিন্তা-ভাবনার শেষ নেই। মাঝে মাঝে আপনি চিন্তা করলেও খুব অবাক হবেন যে রক্ত
মাংসে গড়া আমাদের এই দেহ জুড়ে ছড়িয়ে আছে এমন সব তথ্য যার বিষয়ে শুনলে আমরা
অবাক না হয়ে পারিনা। বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত গবেষণা করছেন মানবদেহ নিয়ে এবং
একেক সময় বেরিয়ে আসছে অজানা সব তথ্য যা পুরো বিশ্বকেই অবাক করে দেয়।
মানবদেহ নিয়ে যেমন জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই তেমনি এই দেহ নিয়ে তথ্যেরও শেষ
নেই। তাই চলুন আজ জেনে নেই এমনই ১৬ টি তথ্য যা হয়তো আপনি জানতেন না।
১। মানব দেহে রোগ প্রতিরোধকারী শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা ২৫০ কোটি এবং এরা মাত্র ১২ ঘন্টা বেঁচে থাকে।
২। একজন মানুষের দেহের রক্তের পরিমাণ তার দেহের মোট ওজনের ১৩ ভাগের ১ ভাগ।
৩। দেহে ও মনে যখন অনুভূতি আসে তখন তা মস্তিষ্কে পৌঁছতে ০.১ সেকেন্ড সময় লাগে।
৪। দেহে অক্সিজেন সরবরাহকারী লোহিত রক্ত কণিকার পরিমাণ ২৫০০ কোটি এবং এরা ৪ মাস বাঁচে।
৫। যখন মানুষ কোন কারণে লজ্জা পায় তখন দেহের পাকস্থলীও লজ্জা পায়।
৬। একজন মানুষের স্নায়ুতন্ত্র এত লম্বা যে তা দিয়ে পৃথিবীকে ৭ বার পেঁচানো যাবে।
৭। কোন অনুভূতি স্নায়ুতন্ত্রের মধ্য দিয়ে ঘন্টায় ২০০ মাইল বেগে প্রবাহিত হয়।
৮। একজন শিশুর জন্মের সময় হাড় থাকে ৩৫০ টি।
৯। একজন মানুষ সারা জীবনে ৪০ হাজার লিটার মূত্র ত্যাগ করে।
১০। একজন মানুষের শরীরে চামড়ার পরিমাণ হচ্ছে ২০ বর্গফুট।
১১। একজন মানুষের চামড়ার ওপর রয়েছে ১ কোটি লোমকূপ।
১২। মানুষের শরীরে যে পরিমাণ চর্বি আছে তা দিয়ে ৭ টি বড় জাতের কেক
তৈরি সম্ভব।
তৈরি সম্ভব।
১৩।
মানুষের শরীরে ৬৫০ টি পেশী আছে। কোন কোন কাজে ২০০ টি পেশী সক্রিয় হয়।
মুখমন্ডলে ৩০ টির বেশী পেশী আছে। হাসতে গেলে ১৫ টির বেশী পেশী সক্রিয় হয়।
১৪। একস্থান থেকে শুরু করে সমগ্র শরীর ঘুরে ঐ স্থানে ফিরে আসতে একটি রক্ত
কণিকা ১,০০,০০০ কিমি পথ অতিক্রম করে অর্থাৎ ২.৫ বার পৃথিবী অতিক্রম করতে পারে।
কণিকা ১,০০,০০০ কিমি পথ অতিক্রম করে অর্থাৎ ২.৫ বার পৃথিবী অতিক্রম করতে পারে।
১৫। আমাদের মস্তিষ্ক প্রায় ১০,০০০ টি বিভিন্ন গন্ধ চিনতে ও মনে রাখতে পারে।
১৬। মানুষের মস্তিষ্ক প্রতি মিনিটে ১,০০০ শব্দ পর্যন্ত পড়তে পারেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন