কেন? সেই “কেন”-টার জবাব পেয়ে যাবেন এই ফিচারটি পড়লেই।
১) সবদিক ভালো, কিন্তু আপনার পিতামাতা নিয়ে কটু মন্তব্য করে
সে হয়তো সবদিক দিয়েই দারুণ ভালো। দেখতে হ্যান্ডসাম, শিক্ষিত, ভালো একটা উপার্জন উৎস আছে, আচরণও ভালো। কিন্তু সে কারণে-অকারণে আপনার মা বাবাকে নিয়ে কটু মন্তব্য করে। এমন কাউকে কি চেনেন আপনি? তাহলে আজই ১০০ হাত দূরত্ব বজায় রাখুন।
২) কেবলই যৌনতার বিষয়ে আলাপ করতে চায়
আপনার বন্ধু হোক বা প্রেমিক, যে মানুষটি শুধুই যৌনতা নিয়ে আলাপ করতে চায় তার থেকে যত দূরে থাকবেন, তত নিরাপদ আপনি। প্রেমের সম্পর্কে যৌনতার প্রসঙ্গ থাকবেই। কিন্তু তার মানে এই নয় যে সারাক্ষণ থাকবে বা শুধু সেই ব্যাপারেই আগ্রহ দেখাতে হবে।

৩) যে আপনাকে অকারণে হাসাতে পারে না
লক্ষ্য করে দেখুন তো, মানুষটা কি আপনাকে হাসাতে পারে? যদি তার সংস্পর্শে থাকলে আপনি হাসতেই না পারেন, তাহলে তাকে নিয়ে ভবিষ্যৎ চিন্তা করবেন না কখনো। জীবনটা রাম গরুরের ছানা হয়ে কাটাতে হবে!
৪) যার কথা চিন্তা করে আপনার মন ভালো হয়ে যায় না
আপনার বিশেষ বন্ধু হোক কিংবা প্রেমিক, তার কথা চিন্তা করলেই কি আপনার ঠোঁটের কোণে ফুটে ওঠে এক টুকরো হাসি? যদি তা না হয় তাহলে তার সাথে সম্পর্ক করার ভাবনা আজই ত্যাগ করুন।
৫) সে বেশ হ্যান্ডসাম, কিন্তু বিয়ে করার জন্য যোগ্য নয়
শুধু দেখতে ভালো হওয়াটাই স্বামী হবার জন্য যথেষ্ট নয়। অনেক মেয়েই কেবল রূপ দেখে ছেলেদের প্রেমে পড়ে যান, যা চরম ভুল। একজন যোগ্য স্বামী হবার জন্য ভালো মানুষ, ধৈর্যশীল এবং যত্নশীল হওয়া সবার আগে প্রয়োজন।
৬) যার সাথে কথা বলার বিষয় পান না
কিছুক্ষণ কথা বলার পর আর বলার মত কোন বিষয় খুঁজে পান না? কিংবা কথোপকথন চালিয়ে যেতে কষ্ট হয়? নাকি আপনি একলাই বলেন আর সে হু হ্যাঁ করে? এমন মানুষ আপনাকে বিরক্ত করে ফেলবে জীবনের পথে। তাই দূরে থাকুন।
৭) আপনার বন্ধুদের সাথে সহজ নয়
এই মানুষটি আগে আসেনি জীবনে, আগে বন্ধুরাই এসেছে। আর প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর মানে এই নয় যে বন্ধুদের ভুলে যেতে হবে। যে আপনার বন্ধুদের পছন্দ করে না, সে একসময় তাঁদেরকে নিয়ে সন্দেহ করে করে জীবন ঝালাপালা করে দেবে।
৮) যে আপনার পরোয়া করে না
যে আপনাকে যত্ন করতে পারে না তার সাথে সম্পর্ক রাখা মানে যেচে গিয়ে অবহেলিত হওয়া।
৯) স্বার্থপর
স্বার্থপর একজন মানুষ কোন সম্পর্কেই ভালো নয়, বিশেষ সম্পর্কে কীভাবে হবেন?
১০) যে আপনাকে ভালোবেসে ছোটখাট উপহার দেয় না
উপহার দামী মানেই কি ভালোবাসা? বরং ছোট্ট উপহারে জড়িয়ে থাকে অনেকখানি আদর। একটা ফুল, একটা কাজল, এক পাতা টিপ কিংবা একটি বই কিংবা গানের মত ছোট্ট উপহার যিনি দিতে জানেন না; তিনি আসলে আপনাকে নিয়ে ভাবেনই না।
১১) যে আপনাকে সম্মান করে না
ভালোবাসা অনেক পরে, আগে তো সম্মান চাই। সম্মান যে কোন সম্পর্কের ভিত্তি।
১২) যে আপনার নীরব অভিমান বোঝে না
অভিমান করে গাল ফুলিয়েছেন, সে সেটা না বুঝে পাল্টা ঝগড়া শুরু করে দিলেন। এমন মানুষের সাথে জীবনটা ঝগড়া করেই কাটবে।
১৩) আপনার কথা কখনো না শুনে নিজেই বলে যায়
আপনার ব্যাপারে জানতে চায় না, আপনার কথা শোনে না। তার জগত জুড়ে শুধু “আমি আমি আমি”। আপনার বিশেষ পুরুষটি কি এমন? আজই ত্যাগ করুন।
১৪) যাকে বিশ্বাস করতে পারেন না মন থেকে
বিশ্বাস না থাকলে সম্পর্কের প্রশ্নই ওঠে না!
১৫) আপনার ভাইবোনদের যার ভালো লাগে না
প্রেম করবেন নিশ্চয়ই বিয়ে করার জন্য? আর বিয়ের পর আপনার ভাইবোনদের মানুষটা অপছন্দ করলে ভালো লাগবে আপনার? একদমই তো না। যে এখন পছন্দ করছেন না, তিনি বিয়ের পর আরও অপছন্দ করবেন।
========================================================================
মেয়েদের সাথে যে ৮ কারণে ছেলেরা প্রতারনা করে
সঙ্গীর সঙ্গে পুরুষের বিশ্বাস ভঙ্গ করার কারণ হিসেবে এক গবেষণায় যা উঠে
এসেছে, তা সাধারণের ধারণা থেকে অনেকখানি দূরের বিষয়। আর এতে যৌনতা ও
শারীরিক আকর্ষণের ভূমিকা অতি সামান্য বলেই জানাচ্ছেন গবেষকরা।
এ লেখায় তুলে ধরা হলো তার আটটি কারণ :
১. বিবাহিত জীবনে নানা ঝামেলা। সঙ্গীর সঙ্গে বিরুপ পরিস্থিতি ও মিলের অভাব। যা থেকে অন্য কোনো মানুষের দিকে ঝুঁকার প্রবণতা তৈরি হয়।
২. পারিবারিক জীবনে বিরক্তি ও বৈচিত্রের অভাব।
৩. বাড়তি যৌন চাহিদা।
৪. মানসিক ও আবেগগত অস্বাচ্ছন্দ্য।
৫. বহুগামিতাকে মানসিকভাবে স্বাভাবিক বিষয় মনে করা।
৬. অবিশ্বস্ত স্ত্রীর কারণে বহুগামিতায় উৎসাহ।
৭. স্ত্রীর কাছ থেকে ডিভোর্সের আশায় বিশ্বাস ভঙ্গ করা ও সে বিষয়ে প্রচার করা।
৮. নতুন কোনো উন্নত বা কার্যকর সম্পর্কে জড়ানোর আশায়।
এ লেখায় তুলে ধরা হলো তার আটটি কারণ :
১. বিবাহিত জীবনে নানা ঝামেলা। সঙ্গীর সঙ্গে বিরুপ পরিস্থিতি ও মিলের অভাব। যা থেকে অন্য কোনো মানুষের দিকে ঝুঁকার প্রবণতা তৈরি হয়।
২. পারিবারিক জীবনে বিরক্তি ও বৈচিত্রের অভাব।
৩. বাড়তি যৌন চাহিদা।
৪. মানসিক ও আবেগগত অস্বাচ্ছন্দ্য।
৫. বহুগামিতাকে মানসিকভাবে স্বাভাবিক বিষয় মনে করা।
৬. অবিশ্বস্ত স্ত্রীর কারণে বহুগামিতায় উৎসাহ।
৭. স্ত্রীর কাছ থেকে ডিভোর্সের আশায় বিশ্বাস ভঙ্গ করা ও সে বিষয়ে প্রচার করা।
৮. নতুন কোনো উন্নত বা কার্যকর সম্পর্কে জড়ানোর আশায়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন