খুশকিমুক্ত চুলের জন্য
এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্মরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হরষিত কুমার পাল বলেন, ‘স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই আমাদের ত্বকের মৃত কোষগুলো ঝরে যায়। মাথার ত্বকের এই মৃতকোষই খুশকি। এ মৌসুমে বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকার ফলে খুশকি বেশি হয়। অনেক সময় সেবোরিক ডার্মাটাইটিস নামক রোগের কারণে খুশকি হতে পারে। তবে এ রোগে খুশকির পাশাপাশি মাথার ত্বকে ছোট ছোট দানার মতো কিছু গোটা হয়ে থাকে এবং রোগীর মাথার ত্বকে অতিরিক্ত চুলকানি হয়।’
খুশকির সমস্যায় হরষিত কুমার পালের পরামর্শ—
খুশকির কারণ যা-ই হোক না কেন, খুশকি থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজন বিশেষ ধরনের শ্যাম্পু। খুশকির সমস্যায় কিটোকোনাজল ও জিংক পাইরিথিওন নামক উপাদানসমৃদ্ধ শ্যাম্পু ব্যবহার করা প্রয়োজন।
খুশকি খুব বেশি হলে এক দিন পরপর খুশকিনাশক শ্যাম্পু ব্যবহার করা উচিত।
অল্প পরিমাণ খুশকি হলে দু-তিন দিন পরপর খুশকিনাশক শ্যাম্পু ব্যবহার করা উচিত।
তেমন সমস্যা না থাকলেও এই মৌসুমে সপ্তাহে একবার খুশকিনাশক শ্যাম্পু ব্যবহার করা যেতে পারে।
খুশকি দূর করতে
খুশকির সমস্যা দূর করতে চাই সঠিক সমাধান। পরামর্শ দিয়েছেন সোনালী’স এইচডি মেকআপ স্টুডিওর রূপপরামর্শদাতা সোনালী ফেরদৌসী মজুমদার।
আমলা ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মাথার ত্বকে লাগিয়ে সারারাত রেখে দিন। পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলুন।
দুই টেবিল চামচ লেবুর রস নিয়ে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তারপর এক কাপ পানিতে এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। লেবুর রস মেশানো পানি দিয়ে পুরো চুল ধুয়ে নিন। তারপর শ্যাম্পু করে নিন। খুশকি দূর না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন এটি ব্যবহার করতে পারেন।
•তিন থেকে পাঁচ টেবিল চামচ নারকেল তেল নিয়ে মাথার ত্বকে ভালোমতো লাগান। এক ঘণ্টা পরে মাথা ধুয়ে ফেলুন এবং তারপর শ্যাম্পু করে নিন।
প্রথমে পানি দিয়ে চুল ভিজিয়ে নিন। এরপর মাথার ত্বকে দুই টেবিল চামচ বেকিং সোডা ঘষে নিন। তারপর চুল ধুয়ে নিন। তবে বেকিং সোডা ব্যবহারের পর চুলে শ্যাম্পু লাগাবেন না। খুশকির জন্য দায়ী ছত্রাকগুলোর ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে বেকিং সোডা। এর ফলে প্রাথমিকভাবে চুলে একটু শুষ্কভাব দেখা দিতে পারে। তবে এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ধীরে ধীরে চুল আবার আর্দ্রতা ফিরে পাবে।
খুশকি প্রতিরোধে
পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। সব কটি পুষ্টি উপাদানই রাখুন আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়।
দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে চেষ্টা করুন।
সব সময় পরিষ্কার চিরুনি ব্যবহার করুন।
যা করবেন না
কখনোই অন্যের চিরুনি ব্যবহার করবেন না।
চুলে বা মাথার ত্বকে ময়লা জমতে দেওয়া যাবে না একদমই।
শীতে শ্যাম্পু
মাথার ত্বক যাদের তৈলাক্ত, তাঁদের তেলবিহীন এবং কন্ডিশনারের মাত্রা কম—এমন শ্যাম্পু বেছে নিতে হবে। এখন বাজারে বিভিন্ন ধরনের ভেষজ শ্যাম্পু পাওয়া যায়। এই ধরনের শ্যাম্পুতে যদি লেবু আর আমলকীর মতো উপাদান থাকে, তাহলে তা তৈলাক্ত চুলের উপযোগী বলে জানালেন এই রূপবিশেষজ্ঞ। এদিকে শুষ্ক চুল যাঁদের, তাঁরা শ্যাম্পু কেনার সময় তাতে কন্ডিশনার ও শ্যাম্পুর পরিমাণটা সমান আছে কি না, তা দেখে নিন। এত কিছু দেখে শ্যাম্পু কেনার পরও যদি তা চুলের সঙ্গে না মানায়, তাহলে শ্যাম্পুর ব্র্যান্ড পরিবর্তন করেন অনেকেই। তবে, শ্যাম্পুর ব্র্যান্ডটা যা-ই হোক না কেন, নিয়মিত ব্যবহারের পর চুলের সঙ্গে তা মানিয়ে নিতে ১৫ দিন থেকে এক মাস সময় লাগে।
মাথার তালুর পর পুরো চুলে শ্যাম্পুর ফেনা তৈরি করে ভালো করে হাত দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করে নিন। তেল দিয়ে শ্যাম্পু করার সময় অনেকের চুল থেকেই তৈলাক্ত ভাবটা দূর হতে চায় না। এ সময় চুলে শ্যাম্পু লাগিয়ে পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর হালকা গরম পানিতে ধুয়ে নিলেই দূর হবে চুলের তৈলাক্ত ভাব।
জেঁকে বসেছে শীত। এই সময়টায় হয়তো প্রতিদিন চুল ভেজানো বা গোসল করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। আর এতে বেশ নেতিয়ে পড়ে চুলটা। এই সমস্যার সমাধানে যেদিন গোসল করবেন, সেদিন চুলে হট অয়েল ম্যাসাজ করুন। এরপর শ্যাম্পু করে শেষে কন্ডিশনার হিসেবে ভিনেগার ব্যবহার করতে পারেন। শীতের সময় চুলের খুশকি দূর করার পাশাপাশি চুলকে ঝলমলে করতেও সাহায্য করে ভিনেগার।
মাথায় গজাবে নতুন চুল
ক্যাস্টর অয়েল কোন অপরিচিত জিনিস নয়। ক্যাস্টর অয়েলে আছে রিসিনোলেইক এসিড যা নতুন চুল, ভ্রু, চোখের পাপড়ি গজাতে অত্যন্ত সহায়ক। এছাড়াও চুলের রুক্ষ্মতা দূর করে চুলকে মোলায়েম করে তুলতে সহায়তা করে এই তেল।
ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করতে হবে নিয়ম মেনে। সপ্তাহে একদিন করে টানা ৮ সপ্তাহ ব্যবহার করুন এই তেল। মধুর মত ঘন ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করার পদ্ধতি বেশ সোজা। অয়েলের সঙ্গে ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে নিতে পারেন, ভালো কাজ দেবে। রাতে ঘুমানোর আগে ভালো করে মাথায় মাখুন, বিশেষ করে চুলের গোঁড়ার ত্বকে ম্যাসাজ করে লাগান। সারারাত এই তেল চুলে থাকতে দিন। সকালে শ্যাম্পু করে ফেলুন। কোন বাড়তি কন্ডিশনার লাগবে না।
যে কোন ফার্মেসীতে বা সুপারশপে ক্যাস্টর অয়েল পাওয়া যায়। দেশি-বিদেশি দুই ধরনের তেলগুলো পাবেন ১০০ টাকার মধ্যে। দেরি না করে চুলের যত্নে আজ থেকেই শুরু করুন চর্চা, আর পেয়ে যান ঘন কালো চুল। যাদের বংশগত কারণে বা কোন অসুখের জন্য চুল পড়ে তাদের জন্য অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শই জরুরি। তবে যাদের স্ট্রেস, যত্নের অভাব, ভুল প্রসাধন ইত্যাদি কারণে চুল পড়ে তাদের ক্ষেত্রে ক্যাস্টর অয়েল খুব ভালো কাজে দেবে।
===================================================================
এই শীতে ত্বকের যত্ন
শীতকালে গোসলে কম সাবান ব্যবহার বা ময়েশ্চারাইজিং সাবান ব্যবহার করলে ত্বকে খসখসে ভাব কমে আসবে। রাতে ঘুমানোর আগে ও গোসলের পর নিয়মিত ময়েশ্চারাইজিং লোশন ব্যবহার করলে ত্বকের খসখসে ভাব দূর হবে। ফলে আর চুলকানিও হবে না এবং ত্বকও ফাটবে না।
চুল
খুশকিমুক্ত থাকতে নিয়মিত সপ্তাহে দুই দিন কিটোকোনাজল শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। যাঁদের পুরোনো চর্মরোগ যেমন¦সোরিয়াসিস, একজিমা, ইকথায়সিস ইত্যাদি আছে, তাদের আরেকটু যত্ন বেশি নিতে হবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।
মুখভালো ব্র্যান্ডের ময়েশ্চারাইজারযুক্ত ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। যাঁদের ব্রণের সমস্যা আছে, তাঁরা ক্রিমের সঙ্গে একটু পানি মিশিয়ে নিতে পারেন।
ঠোঁট
ঠান্ডা বাতাসে ঠোঁট ফেটে যায়। কখনোই জিব দিয়ে ভেজানো
উচিত নয়। কুসুম গরমপানিতে পরিষ্কার একটি কাপড় ভিজিয়ে নিয়ে ঠোঁটে হালকা
করে ৩-৪ বার চাপ দিন। তারপর ভ্যাসলিন বা গ্লিসারিন পাতলা করে লাগিয়ে নিন।
হাতের তালু ও পায়ের তলা
এ সময় ১০ শতাংশ ইউরিয়া, ভ্যাসলিন লাগালে হাতের তালু
অনেকটা মসৃণ হয়ে আসে। শীতে অনেকের পায়ের তলা ফেটে যায়। ৫ শতাংশ
সেলিসাইলিক অ্যাসিড অয়েন্টমেন্ট অথবা ভ্যাসলিন নিয়মিত মাখতে পারেন।
সানস্ক্রিন
শীত আসছে বলে ভাববেন না যে সানস্ক্রিন ব্যবহার করার প্রয়োজনীয়তা কমে গেছে। বাইরে বের হওয়ার ৩০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
শরীরের অন্যান্য অংশ
ত্বকের আর্দ্রতা ও ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে রোজ গোসলের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে অলিভ অয়েল অথবা লিকুইড প্যারাফিন মাখতে পারেন।
========================================================================
মেছতা সাধারণত চোয়াল, নাকের ওপর ও কপালের ওপর বিস্তৃতি লাভ করে। ছোপ ছোপ
কালো আর বাদামি দাগে চেহারাটা বিশ্রী করে ফেলে সহজেই। মেছতার মেডিকেল নাম
হলো মেলাজমা। মেলানোসাইট নামে একধরণের কোষ ত্বকের ওপর এই অনাকাঙ্ক্ষিত রঙ
সৃষ্টির জন্য দায়ি। এরা কখনো অতিরিক্ত কর্মক্ষম হয়ে ত্বকের এক জায়গায়
জমে মেছতা তৈরি করে। আবার কোথাও দুর্বলভাবে ফিকে রং ধারণ করে।
মেছতার অবস্থান ও সৃষ্টিভেদে ৩ প্রকার হয়ে থাকে।
১. এপিডারমাল
এপিডারমাল ত্বকের উপরিস্তরে থাকে, যা চিকিৎসার মাধ্যমে সম্পূর্ণ সারিয়ে তোলা সম্ভব।
২. ডারমাল
ডারমাল ত্বকের নিচের স্তরে থাকে, এক্ষেত্রে চিকিৎসায় খুবই ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।
৩. মিশ্রিত
এ ধরনের মেছতা ত্বকের ওপর এবং নিচে উভয় জায়গায় থাকে। এই ধরনের মেছতার চিকিৎসায় অনেক সময় ভালো ফল আসে না।
মেছতা কেন হয়
মেছতার সুস্পষ্ট কারণ খুঁজে না পাওয়া গেলেও কিছু কারণকে দায়ি করা হয়। পুরুসের মুখে মেছতা থাকলেও তুলনামূলক ভাবে নারীদের মুখে বেশি হয়। গর্ভবতী অবস্থায় হরমোন পরিবর্তনের কারণে অনেক সময় এটা দেখা যায়। তাছাড়া জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল, সূর্যরশ্মির প্রভাব, ইস্ট্রোজেন হরমোন গ্রহণ ইত্যাদি কারণে মেছতা হয়ে থাকে।
মেছতার চিকিৎসা
ক্লিগমেন ফর্মুলা
এই ফর্মুলায় তিন ধরনের ওষুধের মিশ্রণ ব্যাবহার করা হয় যা ব্লিচ হিসেবে কাজ করে। এই ব্লিচ মেলানসাইট সৃষ্টি কারি কোষের কার্যকরতাও থামিয়ে রাখে।
লেজার চিকিৎসা
লেজার চিকিৎসার মাধ্যমে মেছতা সারানো যায়। তবে অসচেতনতায় তা আবার ফিরে আসে।
এমসিডি
ঘূর্ণামাইক্রোমান যন্ত্রের সাহায্যে ত্বকের উপরের স্তরের দাগ ব্যথাহীন ও রক্তপাতহীনভাবে তুলে আনে। এরপর ওষুধ ব্যবহার করতে হয়। এক-দুই মাসের মধ্যেই মেছতা নির্মুল হয়। এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তবে এটি শুধু এপিডারমাল যা চামড়ার একদম ওপরের স্তরের মেছতার জন্য কার্যকরী।
মেছতা থেকে বাঁচতে
১. সূর্যরশ্মি এড়িয়ে চলাতে সবসময় ছাতা কিংবা সানস্ক্রিন লোশন ব্যাবহার করুণ।
২. ভাজা ও প্রক্রিয়াজাত খাবার থেকে দূরে থাকুন।
৩. তাজা শাকসবজি, কাঁচা ও পাকা ফল খেতে চেষ্টা করুণ।
৪. মুখমণ্ডল ছাড়াও কারো যদি শরীরের অন্যান্য অঙ্গে মেছতার প্রকোপ বেশি থাকে তবে তাকে আঠালো জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো।
৫. কারো মুখে যদি অনাকাঙ্ক্ষিত মেছতার দাগ হয়েই যায় তাহলে অবশ্যই কোনো চর্ম বিশেষজ্ঞের সঙ্গে জরুরি পরামর্শ করতে হবে।
========================================================================
মুখে কেন মেছতার দাগ?
মেছতার অবস্থান ও সৃষ্টিভেদে ৩ প্রকার হয়ে থাকে।
১. এপিডারমাল
এপিডারমাল ত্বকের উপরিস্তরে থাকে, যা চিকিৎসার মাধ্যমে সম্পূর্ণ সারিয়ে তোলা সম্ভব।
২. ডারমাল
ডারমাল ত্বকের নিচের স্তরে থাকে, এক্ষেত্রে চিকিৎসায় খুবই ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।
৩. মিশ্রিত
এ ধরনের মেছতা ত্বকের ওপর এবং নিচে উভয় জায়গায় থাকে। এই ধরনের মেছতার চিকিৎসায় অনেক সময় ভালো ফল আসে না।
মেছতা কেন হয়
মেছতার সুস্পষ্ট কারণ খুঁজে না পাওয়া গেলেও কিছু কারণকে দায়ি করা হয়। পুরুসের মুখে মেছতা থাকলেও তুলনামূলক ভাবে নারীদের মুখে বেশি হয়। গর্ভবতী অবস্থায় হরমোন পরিবর্তনের কারণে অনেক সময় এটা দেখা যায়। তাছাড়া জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল, সূর্যরশ্মির প্রভাব, ইস্ট্রোজেন হরমোন গ্রহণ ইত্যাদি কারণে মেছতা হয়ে থাকে।
মেছতার চিকিৎসা
ক্লিগমেন ফর্মুলা
এই ফর্মুলায় তিন ধরনের ওষুধের মিশ্রণ ব্যাবহার করা হয় যা ব্লিচ হিসেবে কাজ করে। এই ব্লিচ মেলানসাইট সৃষ্টি কারি কোষের কার্যকরতাও থামিয়ে রাখে।
লেজার চিকিৎসা
লেজার চিকিৎসার মাধ্যমে মেছতা সারানো যায়। তবে অসচেতনতায় তা আবার ফিরে আসে।
এমসিডি
ঘূর্ণামাইক্রোমান যন্ত্রের সাহায্যে ত্বকের উপরের স্তরের দাগ ব্যথাহীন ও রক্তপাতহীনভাবে তুলে আনে। এরপর ওষুধ ব্যবহার করতে হয়। এক-দুই মাসের মধ্যেই মেছতা নির্মুল হয়। এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তবে এটি শুধু এপিডারমাল যা চামড়ার একদম ওপরের স্তরের মেছতার জন্য কার্যকরী।
মেছতা থেকে বাঁচতে
১. সূর্যরশ্মি এড়িয়ে চলাতে সবসময় ছাতা কিংবা সানস্ক্রিন লোশন ব্যাবহার করুণ।
২. ভাজা ও প্রক্রিয়াজাত খাবার থেকে দূরে থাকুন।
৩. তাজা শাকসবজি, কাঁচা ও পাকা ফল খেতে চেষ্টা করুণ।
৪. মুখমণ্ডল ছাড়াও কারো যদি শরীরের অন্যান্য অঙ্গে মেছতার প্রকোপ বেশি থাকে তবে তাকে আঠালো জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো।
৫. কারো মুখে যদি অনাকাঙ্ক্ষিত মেছতার দাগ হয়েই যায় তাহলে অবশ্যই কোনো চর্ম বিশেষজ্ঞের সঙ্গে জরুরি পরামর্শ করতে হবে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন